পুলওয়ামা হামলার খবর আসার পরও শুটিংয়ে ব্যস্ত ছিলেন মোদি

0
230

“পুলওয়ামায় যেদিন হামলা হয়, সেদিন জিম করবেট ন্যাশনাল পার্কে উদ্দেশ্যমূলক প্রচারের শুটিং করছিলেন মোদী। হামলার খবর পাওয়ার পরও শুটিং চালিয়ে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।”

পুলওয়ামা হামলার পর কংগ্রেস স্পষ্ট জানিয়েছিল তাঁরা সরকারের সঙ্গে সবরকম সহযোগীতা করতে প্রস্তুত ও রাজনীতির সময় এটা নয় । তবে আজ সাংবাদিক সম্মেলনে ফের পুলওয়ামা নিয়ে নরেন্দ্র মোদির দিকে একগুচ্ছ প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়েছে কংগ্রেস।

পুলওয়ামা হামলার খবর আসার পরও করবেট ন্যাশনাল পার্কে শুটিংয়ে ব্যস্ত ছিলেন নরেন্দ্র মোদি, অভিযোগ কংগ্রেস মুখপাত্র রণদীপ সিং সুরজেওয়ালা ।

সুরজেওয়ালার মতে সেনা কনভয়ে হামলা হয়েছে দুপুর ৩:১০ এ,কিন্তু সেই খবর পাওয়ার পরও সন্ধ্যা ৬:৪০ পর্যন্ত তথ্যচিত্র শুটিং নিয়েই ব্যস্ত ছিলেন মোদি । জওয়ানদের মৃত্যুর খবরে শোকে যখন গোটা দেশ মুহ্যমান, তখন সার্কিট হাউসে আরাম করছিলেন প্রধানমন্ত্রী, অভিযোগ সুরজেওয়ালার । এমনকী দিল্লিতে শহিদদের দেহ আনা হয় তখনও সেখানে একঘন্টা দেরিতে যান প্রধানমন্ত্রী; এই ধরনের আচরণ গ্রহণযোগ্য নয়, জানিয়েছেন কংগ্রেস মুখপাত্র ।

প্রসঙ্গত, খারাপ আবহাওয়ার কারণে পুলওয়ামা হামলার দিন অর্থাৎ ১৪ ফেব্রুয়ারি দেহরাদুন বিমানবন্দরে আটকে পড়েছিলেন নরেন্দ্র মোদি । ৭:১৫ নাগাদ বিমানবন্দরে পৌঁছলেও তারপর খারাপ আবহাওয়ার জন্য সেখানে আটকে পড়েছিলেন মোদি কিন্তু এদিনের বিবৃতিতে সুরজেওয়ালার অভিযোগ ১৪ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত তথ্যচিত্র শুটিং ও খাওয়াদাওয়া করছিলেন মোদি অথচ গোটা দেশ তখন শোকে ও ক্ষোভে স্তব্ধ ।

পাশাপাশি গোয়েন্দা হুঁশিয়ারি থাকলেও কেন তাকে গুরুত্ব দেওয়া হল না সেই প্রশ্নও তুলেছে কংগ্রেস। ৮ ফেব্রুয়ারি সতর্কবার্তা দিয়েছিল গোয়েন্দা বিভাগ ও হামলার ৪৮ ঘন্টা আগেও হুঁশিয়ারি দিয়েছিল জইশ-তারপরেও কী করে এই ঘটনা ঘটে সেই প্রশ্নও তুলেছে কংগ্রেস ।

প্রসঙ্গত, খারাপ আবহাওয়ার কারণে পুলওয়ামা হামলার দিন অর্থাৎ ১৪ ফেব্রুয়ারি দেহরাদুন বিমানবন্দরে আটকে পড়েছিলেন নরেন্দ্র মোদি । ৭:১৫ নাগাদ বিমানবন্দরে পৌঁছলেও তারপর খারাপ আবহাওয়ার জন্য সেখানে আটকে পড়েছিলেন মোদি কিন্তু এদিনের বিবৃতিতে সুরজেওয়ালার অভিযোগ ১৪ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত তথ্যচিত্র শুটিং ও খাওয়াদাওয়া করছিলেন মোদি অথচ গোটা দেশ তখন শোকে ও ক্ষোভে স্তব্ধ ।

পাশাপাশি গোয়েন্দা হুঁশিয়ারি থাকলেও কেন তাকে গুরুত্ব দেওয়া হল না সেই প্রশ্নও তুলেছে কংগ্রেস। ৮ ফেব্রুয়ারি সতর্কবার্তা দিয়েছিল গোয়েন্দা বিভাগ ও হামলার ৪৮ ঘন্টা আগেও হুঁশিয়ারি দিয়েছিল জইশ-তারপরেও কী করে এই ঘটনা ঘটে সেই প্রশ্নও তুলেছে কংগ্রেস ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here